বিনিকে নিয়ে প্ৰথমবার মুখ খুললেন সৌরভ! হেসে গড়িয়ে পড়লেন সবাই

ভারতীয় ক্রিকেটে এখন হঠাৎ করেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় একটি বড় আলোচনার বিষয়বস্তু উঠেছেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে সৌরভ গাঙ্গুলীর নাম দ্বিতীয় টার্মে আর যে থাকছে না, তা নিশ্চিত। বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে সৌরভ গাঙ্গুলীর উত্তরসূরি হচ্ছেন রজার বিনি। গত মঙ্গলবার বোর্ড সভাপতি নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগের মিটিং-এ সৌরভ যে সভাপতিত্ব হারিয়েছেন তা চূড়ান্ত হয়ে যায়।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকে প্রস্থানের পরেও সৌরভ গাঙ্গুলী হাসিখুশি, খোলামেলা ভঙ্গিতে রয়েছেন। তার স্বভাবে রসবোধও আগের মতই অটুট। বন্ধন ব্যাঙ্কের এক অনুষ্ঠানে সৌরভকে পাওয়া গেল আগের মতই। অনুষ্ঠানের প্রমোশনাল ইভেন্টে সৌরভের ক্রিকেটীয় কেরিয়ার তো বটেই, তিনি যে ধারাভাষ্য করেছেন তার কিছু ভিডিও ক্লিপ্ চালানো হয়।

এমনই এক ভিডিও ক্লিপ্ আলোচনায় উঠে এল সৌরভ গাঙ্গুলীর সৌজন্যে। এমন ভিডিও চালানো হয় যেখানে সৌরভকে কমেন্ট্রি করতে দেখা যাচ্ছিল সতীর্থ রাহুল দ্রাবিড় এবং হর্ষ ভোগলের সঙ্গে। সেই সময়ই দ্রাবিড় মহারাজকে আড্ডার ছলে বলেন, সৌরভ ৫-৬ ওভার বলের পরেই ক্লান্ত হয়ে পড়ত। ভারত বনাম ইংল্যান্ডের টেস্ট ম্যাচের সময় সৌরভ-দ্রাবিড়-ভোগলে এই কমেন্ট্রি করছিলেন।

সেই ভিডিও ক্লিপে স্টুয়ার্ট বিনিকে দেখা যায় জো রুটকে বল করতে।সঙ্গেসঙ্গে সৌরভ হালকা হেসে বলে দেন, “এই বিনি তো স্টুয়ার্ট বিনি, রজার বিনি নন।” বন্ধন ব্যাংকের ইভেন্টে হাজির থাকা শ্রোতারা যেমন হেসে গড়িয়ে পড়েন, তেমন সৌরভ নিজেও হাসতে থাকেন। সঞ্চালক বলে দেন, “খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে আজকের দিনের প্রেক্ষিতে।”

সেই ব্যাঙ্কের অনুষ্ঠানেই সৌরভ গাঙ্গুলী জানান যে, তিনি দীর্ঘদিন ক্রিকেট প্রশাসনে যুক্ত ছিলেন। এবার অন্য কিছু করতে চলেছেন তিনি, “প্রশাসক হিসাবে কাজ করেছি। এবার অন্য কিছু করব। ইতিহাসে কখনও বিশ্বাস করতাম না। তবে অতীতে ধারণা ছিল পূর্বাঞ্চলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার জন্য প্রতিভার অভাব রয়েছে।

একদিনে কেউ আম্বানি, নরেন্দ্র মোদি হয়ে যান না। মাসের পর মাস বছরের পর বছর পরিশ্রম করে সেই জায়গায় পৌঁছতে হয়।”সেই সঙ্গে তাঁর আরও সংযোজন, “জীবনের সেরা সময় কাটিয়েছি জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময়। বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হয়েছি। এবার আরও বড় কিছু করব। চিরকালের জন্য কেউ ক্রিকেটার, প্রশাসক থাকতে পারে না। দুই ক্ষেত্রেই দারুণ অভিজ্ঞতা হয়েছে।”