Sikandar Raza thanks to Ricky Ponting: পন্থদের কোচের ‘টনিকে’ পাকিস্তানকে ধ্বংস, ম্যাচের পর রহস্য ফাঁস করলেন সিকন্দর

২০২২ এ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান বনাম জিম্বাবুয়ের ম্যাচে উত্তেজনা ছিল বিশাল মাত্রায়। জিম্বাবুয়ে দলের কাছে অভাব ছিল না আত্মবিশ্বাসের,কিন্তু কোথাও একটা যেন ছোট্ট ফাঁক থেকে যাচ্ছিল। ম্যাচের সকালে প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের ছোটো একটি ক্লিপিংয়েই সেই ফাঁক ভরে দেয়। রিকি পন্টিং এর দেওয়া পরামর্শের উপরে ভিত্তি করেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিজেকে অন্য মাত্রার উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানালেন সিকন্দর রাজা।

সিকন্দার রাজার বোলিং ছাড়া পাকিস্তানকে এক রানে হারানো সম্ভব ছিল না জিম্বাবুয়ের কাছে। ম্যাচের ১৪ তম ওভারে পরপর ২ দুটি উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন সিকন্দর। নিজের পরের ওভারেই আরও একটি উইকেট নেন তারকা অলরাউন্ডার। শেষপর্যন্ত চার ওভারে ২৫ রান দিয়ে তিন উইকেট সংগ্রহ করে ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন। সিকন্দার রাজা চলতি বছর স্বপ্নের ফর্মে আছেন, রান ও করছেন, উইকেট ও নিচ্ছেন। নিজের দলের হয়ে সবকিছু করছেন।

ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সিকন্দর বলেন, ‘আজ সকালে আমায় একটা ছোটো ক্লিপিং পাঠানো হয়েছিল। সেটা রিকি পন্টিংয়ের ছিল। তাতে তিনি কয়েকটা কথা বলেছিলেন। আমি আগে থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচের জন্য উত্তেজিত ছিলাম সঙ্গে নার্ভাস ছিলাম। তাই অনুপ্রেরণা পাওয়ার বিষয়টা সবসময় ছিল। কিন্তু আমার একটি বাড়তি ধাক্কার প্রয়োজন ছিল। আজ সকালে সেই অভাবনীয় কাজটা করেছে ওই ভিডিয়ো। তাই রিকিকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

সিকন্দরের সেই মন্তব্যের পর আইসিসির তরফে পন্টিংয়ের সেই ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়। তাতে সিকন্দরের ভূয়সী প্রশংসা করেন দিল্লি ক্যাপিটালসের কোচ রিকি পন্টিং। তিনি বলেন, ‘ সিকন্দরের বয়স ৩৬ হতে পারে কিন্তু ওর মধ্যে তারুণ্যের কোনও অভাব নেই। ওকে দেখে ২৬ বছরের মনে হয়। ফিল্ডিংয়ের সময় লাগাতার দৌড়ে যাচ্ছে। ও যেভাবে খেলছে, তাতে ওকে দেখে মনে হচ্ছে, ও খুব উৎসাহের সঙ্গে খেলছে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।’

পন্টিং আরও বলেন, “শুরুতেই আমি সিকন্দর রাজার কথা বলেছি – ওর অভিজ্ঞতার বিষয়ে বলেছি। ওকে দেখে মন হয় যে ও জানে ঠিক কোন কাজটা কখন করতে হবে এবং সেই কাজটা করার ক্ষেত্রে ও খুব পারদর্শী।” অস্ট্রেলিয়ার দুবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রিকি পন্টিং জানান যে কোনও খেলার সেরা খেলোয়াড়েরা সবসময় চাপের মুহূর্তে জ্বলে ওঠেন। শেন ওয়ার্ন, গ্লেন ম্যাকগ্র্যাথদের ক্ষেত্রে সেরকম হত। আমি লক্ষ্য করেছি সিকন্দরের ক্ষেত্রেও সেই বিষয়টা আছে।