ফিটনেসের শীর্ষে বিরাট কোহলি, প্রমাণিত হল এনসিএ-র প্রকাশিত তালিকায়

একটি প্রফেশনাল খেলোয়াড়ের ফিটনেসের বিষয়ে বিরাট কোহলি বরাবরই উচ্চ স্তরের মান বজায় রাখেন এবং খুব কম ক্ষেত্রেই জিমে ও মাঠে ওয়ার্কআউট এড়িয়ে যান। ভারতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটারদের ফিটনেসের মানকে অন্যমাত্রায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধান কৃতিত্ব দেওয়া হয় প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। সম্প্রতি বিসিসিআই দ্বারা প্রকাশিত একটি রিপোর্টে আবারও সেটির প্রমাণ পাওয়া গেল।

রিপোর্টে এমন ২৩ জন কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করা হয়েছে যাঁরা ২০২১-২২ মরসুমে রিহ্যাবের জন্য বেঙ্গালুরুতে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে গিয়েছিলেন, আর সেই তালিকায় কোহলির নাম কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিসিসিআই এর সিইও হেমাং আমিন একটি রিপোর্টের খসড়া তৈরী করেছেন। এনসিএ-তে পুরুষ এবং মহিলা উভয় মিলিয়ে মোট ৭০জন গিয়েছিলেন চিকিৎসা ও রিহ্যাবের জন্য এবং তাঁদের মধ্যে ২৩জন কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড় ছিলেন।

২৩ জনের মধ্যে ছিলেন অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা, সিনিয়র ব্যাটসম্যান চেতেশ্বর পূজারা, তরুণ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান ঋষভ পন্ত, ফর্মে থাকা মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান সূর্যকুমার যাদব, অভিজ্ঞ অফ স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন, পেসার দীপক চাহার, এবং অধিনায়ক রোহিত শর্মারা।

৭০জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ৭জন সিনিয়র মহিলা স্কোয়াড থেকে, ১৪জন রাজ্যস্তরের, ২৩জন সিনিয়র জাতীয় পুরুষ দলের, ২৫জন ইন্ডিয়া ‘এ’ স্কোয়াড থেকে এবং একজন খেলোয়াড় ছিলেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে। গত এক বছরে কোনো ধরনের রিহ্যাবের জন্য বিরাট কোহলি কে এনসিএ-তে পা রাখতে হয়নি।

দলের পক্ষ থেকে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের উপর জোর দেওয়া হয়েছে

যেহেতু ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট বর্তমানে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের উপর জোর দিয়েছে, তাই ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি এই বছর বেশ কিছু সিরিজের থেকে বিশ্রাম পেয়েছেন। এশিয়া কাপে খেলার আগে বিরাট কোহলি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে সফরে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন যা তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সতেজ রেখেছিল।

ভারতের বর্তমান অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যার জন্য এনসিএ-তে যেতে হয় এবং তাঁর সহকারী কেএল রাহুলকে হার্নিয়া অস্ত্রোপচারের পরে অ্যাকাডেমি যেতে হয়েছিল। বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় গুরুতর চোট পান এবং টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁদের সুস্থ করার জন্য এনসিএ-তে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিল।

বিরাট কোহলি তাঁর কাজের চাপ সামলানোর জন্য গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য কিছু কাজ করেছেন।এশিয়া কাপে অসামান্য প্রদর্শন তারই ফল। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিরাট কোহলি মাঠে নামতে পারবেন।