একসময় সোস্যাল মিডিয়া কাপানো ভুবন বাদ্যকর ওরফে “বাদাম কাকু” অহংকার -এর কারণে তিনি আজ সব হারালেন।

বর্তমান সময়ে প্রতিটি মানুষের হাতেই স্মার্টফোন দেখা যায়। আর এই স্মার্ট ফোনে আজ গোটা দুনিয়া এসে হাজির হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। সোশ্যাল মিডিয়ার এত বাড়বাড়ন্ত যে এই যুগকে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগও। বলা যায় সোশ্যাল মিডিয়ার যেমন অনেক ভালো দিক আছে তেমন বেশ কিছু খারাপ দিক রয়েছে। তবে সেই সমস্ত খারাপ দিক কে ছাপিয়ে গেছে ভালো দিকগুলি। যার ফলে সোশ্যাল মিডিয়া আজ এত পপুলার। সোশ্যাল মিডিয়া বলতে আমরা সাধারণত বুঝে থাকি ইউটিউব (youtube), ফেসবুক (facebook), টুইটার (twitter), ইনস্টাগ্রাম (instagram) ইত্যাদি -কে।

বেশ কিছু বছর আগে প্রতিভা (Talent) থাকলেও জনপ্রিয়তা পাওয়া খুবই কষ্টের ছিল। কিন্তু আজ তা সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। এই সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতেই মানুষ আজ মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। যদি কারোর মধ্যে প্রতিভা থাকে তাহলে রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যায় সে। তেমনই এক সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) সেন্সেশন (Sensation) -এর কথা আমরা আজ বলব। তিনি হলেন “বাদাম কাকু” ওরফে ভুবন বাদ্যকর (Bhuban Badyakar)।

তিনি বীরভূমের দুবরাজপুরের লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। পেশায় তিনি ছিলেন একজন বাদাম বিক্রেতা‌। তবে আজ তিনি আর বাদাম বিক্রেতা নন। গোটা ভারত তাঁকে চেনেন তার গানের দৌলতে। আর্থিক অনটনের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাঁচা বাদাম বিক্রি করতেন তিনি। আর এই বাদাম বিক্রির জন্য একটি গান বেঁধেছিলেন তিনি‌ সেই গানই যে তাঁকে ভাইরাল করে দেবে তা কখনো ভাবতে পারেনি তিনি। আজ তিনি কাঁচা বাড়ি থেকে পাকা বাড়িতে বাস করেন আর ইউজ করেন আইফোন। তাঁর ইউটিউবে চ্যানেল রয়েছে।

একজন বাদাম বিক্রেতা থেকে রাতারাতি স্টার হয়েছিলে তিনি। কিন্তু ভাগ্যের ফেরে সব হারিয়েছেন। তাঁর সব থাকা সত্ত্বেও আজ জায়গা হয়েছে বাড়াবাড়িতে। কিছুদিন আগে একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশী ভ্লগার তাঁকে অনেক কথাও শুনিয়েছিলেন। সেই ভ্লগারের দাবি ভুবন বাদ্যকরের যে খ্যাতি তা তাঁরই দৌলতে। কিন্তু তাঁকেই নাকি কোনো ক্রেডিট দেননি বাদাম কাকু।

তাঁর ৬ জন assistant ছিল। কিন্তু এখন আর কিছুই নেই। মাঝে একবার তিনি জানিয়েছিলেন কোন এক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন তিনি। আর সেই চক্রান্তের জেরেই আজ কর্মহীন। শোনা যাচ্ছিল শর্ট ফিল্ম মে দেখা যেতে পারে তাঁকে। কিন্তু তা ছিল ক্ষনিকের। তবে সেই বিখ্যাত ভ্লগার আজমিনুর জানিয়েছেন তিনি চান এই খারাপ সময় কাটিয়ে বাদাম কাকু যেন খুব তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়াতে পারেন।