ফিটনেসের বিষয়ে বিরাটকে দেখে শিখুক রোহিত, আর্জি কপিল দেবের !!

প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক এবং বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি কপিল দেব মনে করেন যে রোহিত শর্মাকে তার ফিটনেসের কিছু পরিমাণ উন্নতি করা দরকার কারণ তার ওজনটাও কিছুটা বেশি। অসাধারণ ফর্মে থাকা এই তারকা ব্যাটার বর্তমানে টিম ইন্ডিয়াকে বর্ডার গাভাস্কার ট্রফিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সম্প্রতি, খেলার সমস্ত ফরম্যাটে প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসাবে রোহিত আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি করেছেন। নাগপুরে উদ্বোধনী টেস্টে এই কৃতিত্বটি অর্জন করেছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। প্রথম টেস্টে করেছিলেন ১২০ রান তারপরে দিল্লিতে দ্বিতীয় টেস্টে রোহিত ৩২ও৩১ রানের দুটি ইনিংস খেলেছিলেন।

রোহিত কে টিভিতে বেশ কিছুটা ওজনের দেখায়:

প্রথম দুই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে হিটম্যানের অনবদ্য পারফরম্যান্স থাকা সত্বেও ভারতীয় অধিনায়কের ফিটনেস নিয়ে কপিল দেব উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন যে ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটারকে তার ওজন কমানোর দিকে মনোনিবেশ করতে হবে এবং দলের অধিনায়ক হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ তার ফিট থাকাটা। প্রাক্তন অলরাউন্ডার রোহিতকে দুর্দান্ত ব্যাটার এবং দুর্দান্ত অধিনায়ক বলে অভিহিত করেছেন।

এবিপি নিউজকে কপিল দেব বলেছিলেন,“(ফিট থাকা) এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। একজন অধিনায়কের ক্ষেত্রেও এটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি ফিট না থাকেন তবে সেটা লজ্জার বিষয়। সে একজন অসাধারণ ব্যাটার কিন্তু যখন তার ফিটনেস নিয়ে আপনি কথা বলেন, অন্তত তাকে টিভিতে বেশ কিছুটা ওজনের দেখায়।”

বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক বলেছেন, “হ্যাঁ, প্রথমে একজনকে টিভিতে দেখার পর তারপর যখন তাকে বাস্তব জীবনে দেখবেন তাকে আলাদাই লাগবে। কিন্তু আমি যা দেখেছি, রোহিত একজন অসাধারণ খেলোয়াড় এবং একজন অসাধারন অধিনায়ক, তবে তার ফিট হওয়াটা খুব দরকার। বিরাটের দিকে দেখুন, আপনি তাকে যখনই দেখবেন, তখন আপনি বলবেন,‘এটাই হলো ফিটনেস!’।

ফিটনেসের দিক দিয়ে কপিলও বেশ পরিচিত ছিলেন। সামগ্রিকভাবে তার খেলার দিনগুলোতে তার ফিটনেস এর যে মান ছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি খুব ফিরছিলেন এবং জাতীয় দলের হয়ে তিনি ১৬ বছরেরও বেশি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সর্বাত্মক অবদান রাখতে পেরেছিলেন।

ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে ১লা মার্চ থেকে আয়োজিত হতে চলা তৃতীয় টেস্টের জন্য রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল অপেক্ষা করছে। প্রথম দুটি টেস্ট জিতেছিল রাহুল দ্রাবিড়ের প্রশিক্ষণাধীন দল এবং চার ম্যাচে সিরিজে তারা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে।

সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিকরা এক ইনিংসে ১৩২ রান করে জিতেছিল। ভারতীয় দল প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ার পরে দ্বিতীয় টেস্টেও একই রকম চাপ বজায় রেখে ছয় উইকেটে জিতেছিল এবং বর্ডার গাভাস্কার ট্রফিও ধরে রেখেছিল। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জুন মাসে, সেখানে জায়গা পাওয়া থেকে ভারত একটি জয় দুরে রয়েছে।