লেটেস্ট খবরসাফল্যের খবর শিক্ষার খবরঅফবিটটেক নিউজ

বিরাট একটা শূন্যস্থান তৈরি হলো ফুটবলবিশ্বে, বিশ্বকাপ ফাইনালের হারের ঘোর না কাটতেই ফ্রান্সের তারকা ফুটবলারকে গুলি করে হত্যা !!

WhatsApp Group   Join Now এক সপ্তাহ কেটে গেছে কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালের পর। এখনো ফ্রান্সের হারের ঘোর কাটেনি। এর মধ্যে এক মর্মান্তিক খবর প্রকাশ্যে এলো। ...

Updated on:

WhatsApp Group   Join Now

এক সপ্তাহ কেটে গেছে কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালের পর। এখনো ফ্রান্সের হারের ঘোর কাটেনি। এর মধ্যে এক মর্মান্তিক খবর প্রকাশ্যে এলো। বড়দিনের ঠিক দুদিন আগে অর্থাৎ গত শুক্রবার আদেল সান্তনা মেন্ডি (22) নামে এক ফুটবলারকে গুলি করে হত্যা করা হলো

ওই ফুটবলারকে ফ্রান্সের মার্সেই শহরের একটি এলাকায় গুলি করা হয়েছে। দ্যা সানের খবর। ফ্রান্সের ঘরোয়া লিগের চতুর্থ ডিভিশনের ক্লাব ওবানিয়াতে গত জুনেই আদেল যোগ দিয়েছিলেন। এর মধ্যেই খুন করা হলো তাকে। তবে তাকে কী কারণে হত্যা করা হয়েছে, পুলিশ এখনো সেটি জানায়নি।

পুলিশ বলেছে, তদন্ত শুরু করেছে তারা। সমাজ মাধ্যমে একটি পোস্টে আদেলের ক্লাব ওবানিয়া লিখেছে–একটা বিরাট শূন্যস্থান তৈরি হলো। আমাদের কাছে বরাবর আদেল একজনই থাকবে। ওর পরিবারকে সমবেদনা জানাই। মার্সেইয়ের যুব অ্যাকাডেমি থেকে আদেল উঠে এসেছিলেন। তারপরে খেলেছেন ইংল্যান্ডের ক্লাব ইস্টবোর্ন ও ল্যাংনেতে।

এছাড়াও তিনি অ্যান্ডোরার বেশ কিছু ক্লাবে খেলেছেন। বিভিন্ন মহল থেকে আদেলের খুন হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। ফ্রান্সে জন্ম হলেও আদলের বাবা-মা সেনেগালের। তিনি এতদিন খেলবেন ফ্রান্সের ছোটখাটো ফুটবল ক্লাবে। বড় ক্লাবে খেলার স্বপ্ন ছিল। ফ্রান্স অশান্ত বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের পর থেকে। রাস্তায় রাস্তায় সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

পুলিশ তাদের সামলাতে লাঠি চালায়। অভিযোগ উঠেছে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার। এক রাতে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে বিশ্বকাপে হার মেনে নিতে না পেরে। ফরাসিরা পরাজিত হয়েছে আর্জেন্টিনার সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে। তারা জিততে পারেনি ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে গিয়েও। সমর্থকরা এই হার মানতে পারছে না।

গত শুক্রবার প্যারিস অশান্ত হয়। মধ্য প্যারিসের গার দ্যা লে স্টেশন লাগোয়া কুর্দিস সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাছে 69 বছরের এক বৃদ্ধের গুলিতে একটি রেস্তোরাঁ ও সাঁলোতে তিন জনের মৃত্যু হয়। আরো অনেকে আহত হন। তারপরেই অবশ্য পুলিশ ধরে ফেলে আততায়ী 69 বছরের বৃদ্ধকে।

একজন অবসরপ্রাপ্ত ট্রেন চালক শ্বেতাঙ্গ ওই বৃদ্ধ। তিনি বর্ণবিদ্বেষী এবং ফ্রান্সে ‘বিদেশী’দের উপস্থিতি সহ্য হতো না বলে তিনি বয়ান দিয়েছেন পুলিশের কাছে।

About Author